নোয়াখালী প্রতিনিধি: বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে দুবাই নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. বাহার নামে এক প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে। ওই নারীর দাবি, বাহারের সঙ্গে সম্পর্কের পর তার একটি সন্তান জন্ম নিয়েছে। বর্তমানে সাত মাস বয়সী শিশুটি অসুস্থ হলেও বাহার মা ও সন্তানের কোনো খোঁজখবর নিচ্ছেন না এবং চিকিৎসার ব্যয়ও বহন করছেন না।
অভিযুক্ত মো. বাহার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী নারী নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাহার তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ে করার কথা বলে তাকে দুবাই নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করে দীর্ঘদিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি গোপন রাখতে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য বাহার চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
তার ভাষ্য, দেশে গুরুতর অসুস্থ এক বন্ধুকে দেখতে বাহার তাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তাকে বাগেরহাটের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে বাহার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ব্লক করে দেন।
ভুক্তভোগী জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসে তার সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমানে শিশুটির বয়স সাত মাস। সন্তান অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
ওই নারীর অভিযোগ, বাহারের আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি মা ও সন্তানের কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না। তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে ২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাহার ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভের আরেকটি সন্তান নষ্ট করে দেন।
এ ছাড়া সুবর্ণচরে বাহারের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে হত্যার জন্য চার লাখ টাকা দিয়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন বলেও দাবি করেন। এ কারণে নিরাপত্তার আশঙ্কায় বর্তমানে বাগেরহাটে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি।
ভুক্তভোগী বলেন, “আমি আমার সন্তানের বাবার স্বীকৃতি চাই। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। সত্য প্রকাশ পাক। আমার সন্তান যেন ভবিষ্যতে বাবার পরিচয় নিয়ে কোনো সংকটে না পড়ে, সেটিই আমার দাবি। আমি ন্যায়বিচার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।”
তার আরও অভিযোগ, বাহার লোক মারফত তাকে ১২ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সন্তানের দায়িত্ব নিতে তিনি রাজি হননি বলে দাবি করেন ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে কোনো লিখিত সমঝোতা বা অর্থ লেনদেন হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
এদিকে, বাহারের প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার না করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার দাবি, তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের জন্য ওই নারী দায়ী এবং এসব অভিযোগের কারণে তার সংসারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
বাহারের প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বললে তারা বিষয়টি সম্পর্কে শুনেছেন বলে জানান। তবে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তাদের জানা নেই বলে দাবি করেন তারা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে মো. বাহারের বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী নারী জানান, বর্তমানে সন্তানের ভবিষ্যৎ, পিতৃপরিচয় ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করা এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, “এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযুক্ত মো. বাহার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী নারী নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাহার তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ে করার কথা বলে তাকে দুবাই নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করে দীর্ঘদিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি গোপন রাখতে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য বাহার চাপ দেন বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।
তার ভাষ্য, দেশে গুরুতর অসুস্থ এক বন্ধুকে দেখতে বাহার তাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। দেশে ফেরার পর তাকে বাগেরহাটের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে বাহার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ব্লক করে দেন।
ভুক্তভোগী জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসে তার সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমানে শিশুটির বয়স সাত মাস। সন্তান অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
ওই নারীর অভিযোগ, বাহারের আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি মা ও সন্তানের কোনো দায়িত্ব নিচ্ছেন না। তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে ২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাহার ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভের আরেকটি সন্তান নষ্ট করে দেন।
এ ছাড়া সুবর্ণচরে বাহারের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে হত্যার জন্য চার লাখ টাকা দিয়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন বলেও দাবি করেন। এ কারণে নিরাপত্তার আশঙ্কায় বর্তমানে বাগেরহাটে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি।
ভুক্তভোগী বলেন, “আমি আমার সন্তানের বাবার স্বীকৃতি চাই। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। সত্য প্রকাশ পাক। আমার সন্তান যেন ভবিষ্যতে বাবার পরিচয় নিয়ে কোনো সংকটে না পড়ে, সেটিই আমার দাবি। আমি ন্যায়বিচার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।”
তার আরও অভিযোগ, বাহার লোক মারফত তাকে ১২ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে সন্তানের দায়িত্ব নিতে তিনি রাজি হননি বলে দাবি করেন ওই নারী। বিষয়টি নিয়ে কোনো লিখিত সমঝোতা বা অর্থ লেনদেন হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
এদিকে, বাহারের প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার না করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার দাবি, তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের জন্য ওই নারী দায়ী এবং এসব অভিযোগের কারণে তার সংসারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে তিনি সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
বাহারের প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বললে তারা বিষয়টি সম্পর্কে শুনেছেন বলে জানান। তবে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তাদের জানা নেই বলে দাবি করেন তারা। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
অভিযোগের বিষয়ে মো. বাহারের বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী নারী জানান, বর্তমানে সন্তানের ভবিষ্যৎ, পিতৃপরিচয় ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, সন্তানের পিতৃপরিচয় নিশ্চিত করা এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, “এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”